Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

ভাষা ও সংস্কৃতি

দিনাজপুর জেলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতির চর্চার দিক দিয়ে পূর্ব থেকেই সমৃদ্ধ।দিনাজপুরের সংস্কৃতিমনা লোকজন বিভিন্ন সময়ে তাদের এই অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করারজন্য সংস্কৃতিকেন্দ্র, গোষ্ঠী, দল গঠন করেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানআয়োজনের মাধ্যমে জনগণকে বিনোদিত করেছে। দিনাজপুরে পূর্ব থেকেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আদিবাসী বসবাস করতো এবং তারা সবসময় একটি স্বতন্ত্র পরিচয় বহন করেএসেছে। তারাও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গঠন করে এ অঙ্গণকে করেছে আরও সমৃদ্ধ।দিনাজপুরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং ঐতিহ্যগত আচার অনুষ্ঠানদৃষ্টে প্রতীয়মান হয় যে, এখানকার মানুষ শিল্প সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগী ছিল।বর্তমানে দিনাজপুরের নিজস্ব সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্নজাতীয় প্রতিষ্ঠানের অঙ্গ সংগঠন রয়েছে এবং এ জেলার মানুষ বিভিন্ন সময়ে জাতীয়অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলার সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছে।

 

 

মেলা-পার্বনঃ

বহু প্রাচীনকাল থেকে দিনাজপুর জেলা মেলার দেশ বলে বিদিত। বিভাগপূর্ব যুগেরধলদীঘি, চিন্তামন, জোয়ার, কুকুরামনি, আলোয়া খাওয়া, ঢেমঢেমী কালীর মেলা, নেকমর্দ পীরের মেলা প্রভৃতি মেলাগুলি এ যুগেও সুপ্রসিদ্ধ ও আর্ন্তদেশিকখ্যাতিসম্পন্ন। অবশ্য ঐ সব গ্রাম্য মেলাতেও উন্নতজাতের গবাদি পশু, হাতি, ঘোড়া, উট দুম্বার কেনাবেচার (প্রদর্শনী নয়) ব্যবস্থা ও যাত্রা থিয়েটার, সার্কাসের মাধ্যমে লোক বিনোদনের সমারোহপূর্ণ আয়োজন থাকত। একালেও তা অব্যাহতরয়েছে। সেজন্য জনসাধারণের চিত্তবিনোদনের ব্যাপারে মেলাগুলির ভূমিকা ছিলচির আকাঙ্খিত উপলক্ষ্য। বর্তমানে দিনাজপুরের অন্যতম প্রধান লোকজ মেলা হলোচিন্তামন পশু মেলা (ফুলবাড়ী), রাশমেলা (কান্তনগর, কাহারোল), কালী মেলা (বীরগঞ্জ) ইত্যাদি।

 

 

লোকজ উৎসবঃ

দিনাজপুরেমুসলমানদের মহরম উৎসব ও হিন্দুদের দীপাবলী উৎসবউভয় সম্প্রদায়ের জন্য ধর্মীয়বিনোদন তথা লোকোৎসব। মহরমের দশম দিনে লাঠিখেলা, তাজিয়া, মিছিল, মহরম মেলা ওমাতমজারি প্রভৃতি শোকানুষ্ঠানের মাধ্যমে মহরম উদযাপিত হয়। পক্ষান্তরেদূর্গাপূজা ও কালীপূজার সময় গানবাজনা, নাচ প্রভৃতি শিল্প ও ক্রীড়াপ্রতিযোগিতার মাধ্যমে ক’দিনের কর্মসূচী খুব জাকজমক করে উদযাপিত হয়। শহরেরনিমনগর মহল্লায় ধর্মীয় লোকোৎসব উদযাপনের প্রচলন ছিল আদিবাসীগণের মধ্যেও এবংএকালেও তা প্রচলিত আছে। উক্ত উৎসবকে ‘‘ মাইবোঙ্গার " উৎসব বলে। মাইবোঙ্গাসাঁওতালদের নারী দেবী।দিনাজপুর পৌর এলাকার সুইহারী নামক স্থানে প্রায় এক একর জমির উপর ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিতহয় আদিবাসী কালচারাল একাডেমী। বর্তমানে কালচারাল একাডেমীকে সাওতাল, ওরাও, মালো, মালপাহাড়ী, পাহালী, পালমাকার ও অন্যান্য উপজাতিসম্প্রদায়ভূক্ত আদিবাসীগণ তাদের সকল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পালন করে থাকে।

জাতীয় পর্যায়ে এই একাডেমীর অবদান অসামান্য। ১৯৮৫ ও ১৯৯৫ সালে প্রায় ৬০০ জন আদিবাসীর একটি সাংস্কৃতিক দল সাফ গেমস্-এ অংশগ্রহণ করে একাডেমী তথা দিনাজপুর জেলার জন্য গৌরব বহন করে আনে।

ভাষা ও সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানঃ

১.শিশু একাডেমী, দিনাজপুর

২.দিনাজপুর সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়

৩.দিনাজপুর মিউজিয়াম

৪.খাজা নাজিমুদ্দিন মুসলিম হল ও পাবলিক লাইব্রেরি