Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

বিশেষ অর্জন

ওয়েব সাইট স্থাপনঃ

দিনাজপুর জেলায় (www.dinajpur.gov.bd) নামে  একটি সমৃদ্ধ ওয়েব পোর্টাল তৈরী করা হয়েছে । এতে দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন তথ্য (জেলার পরিচিতি, জেলা প্রশাসন, সরকারী/ বেসরকারী অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি) সন্নিবেশিত রয়েছে ।এছাড়াও এ জেলার ১৩ টি উপজেলা ও ১০২ টি ইউনিয়নের তথ্য সমৃদ্ধ ওয়েব পোর্টাল রয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়নের ওয়েব পোর্টালে স্ব স্ব উপজেলা ও ইউনিয়নের ভৌগলিক, পরিচিতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শাখা ভিত্তিক কার্যক্রম, সভার নোটিশ ও কার্যবিবরণী, আইন-শৃঙ্খলা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও খাদ্য, ভূমি, প্রকৌশল, মানব সম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

 

হেল্প ডেস্কঃ

সরকারি সেবা আরো দ্রুত ও সহজতর করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। এই ডেস্ক থেকে জনগণ ভূমি রেকর্ড, বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য, পাসপোর্টের আবেদন দাখিল ও পাসপোর্ট গ্রহণ এবং অভিযোগ দাখিলসহ বিভিন্ন সেবা পাচ্ছেন।

 

অভিযোগ বাক্স স্থাপনঃ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগ বাক্সে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করিয়ে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হয় ।

সিটিজেন চার্টার/ ডিউটি চার্টারঃ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়সমূহের সিটিজেন চার্টার তৈরী করে তা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য উন্মুক্ত স্থানে টানিয়ে রাখা হচ্ছে এবং চার্টার মোতাবেক সেবা প্রদান কার্যক্রম চলমান আছে। অধিকন্তু, ডিউটি চার্টার প্রণয়ন করতঃ তা জনসাধারণকে জানানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সকল শাখায় কম্পিউটার স্থাপনঃ

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে জেলা প্রশাসনের কার্যক্রম দ্রুততার সাথে সম্পাদনের নিমিত্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রতিটি শাখায় কম্পিউটার সরবরাহপূর্বক কম্পিউটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়াও জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কম্পিউটারে দক্ষ করে তোলার জন্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়সমূহে ৩৭ জন কর্মকর্তা ও ৮৫ জন কর্মচারী কম্পিউটারে সাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছেন।

 

ইন্টারনেট/ ই-মেইল/ফ্যাক্সঃ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে সাধারণ ডাক যোগাযোগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের সাথে উপজেলা প্রশাসনের ই-মেইল মারফত যোগাযোগ হয়ে থাকে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর/অধিদপ্তরের সঙ্গেও ই-মেইল এর মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। ই-মেইল ঠিকানাঃ dcdinajpur@mopa.gov.bd

 

 পেপারলেস অফিস কনসেপ্টঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতে পেপারলেস অফিস কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম-

(ক) সফটওয়্যারের (গ্রামীণ বিসনেস সলিউশন) মাধ্যমে মিটিং এর নোটিশ এসএমএস দ্বারা প্রেরণ করা হয় এবং মিটিং এর কার্যবিবরণী ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। কোন কারণে মিটিং এর নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন হলে এখন আর কাগুজে নোটিশ এবং জারীকারকের প্রয়োজন হয় না। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পুণঃনির্ধারিত তারিখ ও সময় জানিয়ে এসএমএস প্রদান করা হয়।

(খ) উপজেলা থেকে বিভিন্ন পাক্ষিক, মাসিক ও অন্যান্য বিভিন্ন রিপোর্ট সহজে প্রাপ্তির লক্ষ্যে  দিনাজপুর জেলা প্রশাসন এর সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে e-reporting নামক পোর্টাল নির্মাণ করা হয়েছে। পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে অতিদ্রুত উপজেলা সমূহ থেকে রিপোর্ট পাওয়া সম্ভব হচ্ছে ,যা প্রশাসনিক কর্মকান্ডকে গতিশীল করেছে এবং পেপারলেস অফিস কনসেপ্টকে ত্বরান্বিত করছে।

 

ফেসবুক পেজ খোলাঃ

জেলা প্রশাসন, দিনাজপুর এর উদ্যোগে “Dinajpur District Administration”নামক একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে যেখানে বিভিন্ন কার্যক্রমের তথ্য জনসাধারণকে জানানো হয় এবং তাদের মতামত গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  “Dinajpur  Digital Center” নামক একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে যেখানে উদ্যোক্তাগণের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে মত বিনিময় সহজতর হয়েছে।

 

এনজিওদের জন্য পৃথক ওয়েব সাইট খোলাঃ

এনজিও  সমূহ এর জন্য পৃথক ওয়েবসাইট dinajpurngos.comতৈরী করা হয়েছে।  এই ওয়েব সাইটে দিনাজপুর জেলার এনজিও সমূহ তাদের কার্যক্রমের বিভিন্ন প্রতিবেদন আপলোড করে ফলে জেলা প্রশাসনের সাথে এনজিওদের সামগ্রিক যোগাযোগ অনলাইনে সম্পাদিত হচ্ছে। এনজিও গুলোকে মাসিক এনজিও সমন্বয় সভার তারিখ মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয় এবং সভার কার্যবিবরণী ও ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়।

 

জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের নিজস্ব ওয়েব সাইট খোলাঃ

জেলা সদরের বড় বড় স্কুলে ওয়েব সাইট ইতোমধ্যে চালু করা হয়েছে এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।  এছাড়া জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, দিনাজপুর হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন অনুপস্থিতির তথ্য, ফলাফল, পরীক্ষার রুটিন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী অভিভাবকদের কাছে এসএমএসের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ডিজিটাল এটেন্ডেন্স নেয়া হয়।

 

ইন্টারনেট কানেকশন শক্তিশালী করা ও ওয়াই-ফাই চালু করাঃ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ইতোমধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন 1MBPSথেকে 2MBPSএ উন্নীত করা হয়েছে এবং  Wi-Fiইন্টারনেটকানেকশন স্থাপন করা হয়েছে।

 

তরুণদের সামাজিক , সাংস্কৃতিক কাজে সম্পৃক্তকরণ ও বিজ্ঞান ও আইসিটি মনস্ক করাঃ 
তরুণ শিক্ষার্থীদের আইসিটিতে দক্ষ ও বিজ্ঞান মনস্ক করে গড়ে তোলা  এবং তাদের আধুনিক শিক্ষা দীক্ষায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিবেট ক্লাব, পরিবেশ ক্লাব, বিজ্ঞান ও আইসিটি  ক্লাব এবং সাংস্কৃতিক ও আবৃত্তি ক্লাব গঠন করা হয়েছে। প্রতি বছর জেলা পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় উদ্‌যাপিত হয়।

 

অত্যাধুনিক আইসিটি ট্রেনিং রুমঃ

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ-২ জেলা প্রশাসনের সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থাপন করা হয়েছে।মূলতঃএটি একটি অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ কক্ষ। এখানে সভা অনুষ্ঠানের পাশাপশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিবিড় ও নিরবিছিন্নভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে এই সম্মেলন কক্ষ ব্যবহার করা হবে।সম্মেলন কক্ষে প্রশিক্ষণ উপযোগী অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টর,LCDমনিটর সম্পন্ন ৫৪"টেলিভিশন,HDMIক্যাবল ব্যবহারের সুবিধা, অত্যাধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, সার্বক্ষণিক ওয়াই ফাই কানেকটিভির সুবিধা,প্রশিক্ষণ কক্ষটি শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত এবং এতে রয়েছে প্রশিক্ষণ উপযোগী টেবিল চেয়ার।

 

এন্টাপ্রেনিউর ও আইসিটিতে দক্ষ জনবল তৈরীর উদ্যোগঃ

দিনাজপুর জেলায় জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে জেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আগামী এক বছরে ফ্রিল্যান্সিংয়ে ৫০০ এন্টারপ্রেনিউর তৈরী এবং এক হাজার জনকে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বিভিন্ন বিষয়ের উপর দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম চলমান।

 

জেলা মেকানিক পুল গঠনঃ
দিনাজপুর জেলার ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র, পৌরসভা তথ্য ও সেবা কেন্দ্র এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক কম্পিউটার সামগ্রী, ফটোকপিয়ারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি নিয়মিত মেইনটেন্যান্স এবং সচল রাখবার জন্য একটি বিশ্বস্ত মেকানিক পুল গঠনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ২২ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দিনাজপুর জেলায় একটি দক্ষ এবং বিশ্বস্ত মেকানিক পুল গঠন করা সম্ভব হয়েছ

 

সকল রেকর্ড রুমের ১০০% ROR সংগ্রহ ও সংরক্ষনঃ

এই কর্মসূচির আওতায় জানুয়ারি ২০১৫ হতে এপ্রিল ২০১৫ পর্যন্ত  ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলা ভূমি অফিস এবং জেলা রেকর্ড রুম এই তিন অফিসের  প্রায় ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার বিনষ্ট খতিয়ান পুনঃলিখনের কাজ সম্পন্নকরন।

 

 ভূমি ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উন্নয়নঃ

দিনাজপুর জেলার ভূমি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে জেলা প্রশসানের উদ্যোগে ও অর্থায়নে নিম্নোক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

ক) জেলার সকল ইউনিয়ন ও পৌর ভুমি অফিসে ১০০% রেজিস্টার-২ (তলববাকী রেজিস্টার) স্থানীয় ভাবে ছাপিয়ে সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে জরাজীর্ণ ছেড়া রেজিস্টার সমূহের হোল্ডিং তথ্য নতুন রেজিস্টারে অন্তভূক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

খ) সকল উপজেলা ইউনিয়ন/পৌর ভুমি অফিস এবং আর এম শাখার জন্য ৫০ বছরের লক্ষমাত্র দিয়ে ব্যবহার উপযোগী সিভিল স্যুট রেজিস্টার, রেজিস্টার-৮, রেজিস্টার-২২, মুভমেন্ট রেজিস্টার ও পরির্দশন রেজিস্টার স্থানীয়ভাবে ছাপিয়ে সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে মামলা মোকদ্দমাভুক্ত সম্পত্তির সরকারী স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

গ) সকল উপজেলা/ ইউনিয়ন/পৌর ভূমি অফিসের ৩০ বছরের লক্ষমাত্রা দিয়ে ব্যবহার উপযোগী সায়রাত রেজিস্টার (সকল সায়রাতভূক্ত তালিকা করে) ছাপিয়ে বাধাঁই করে সরবরাহ করা হয়েছে।

ঘ) তাছাড়া সকল উপজেলা ভূমি অফিসের জন্য এস এ শাখার অডিট আপত্তি রেজিস্টার সরবরাহ করা হয়েছে।

ঙ) রেকর্ডরুম এবং পিআরআর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রেকর্ডসমূহ তালিকা ভুক্ত ও গোছানোর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

চ) সকল সরকারী সম্পত্তির জরিপ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ছ) রেকর্ডরুমের সকল কাগজপত্রের তালিকাভূক্তি শেষের দিকে এর ফলে ২০০ বৎসরের উর্দ্ধেকার সকল দলিল/কাগজ সুবিন্যস্ত হবে। পিআরআর রেকর্ডরুমও সাজানো হয়েছে।

জ) নবনিয়োগকৃত ৩৪ জন ইউনিয়ন ভূমি-সহকারী কর্মকর্তার ৭ দিন ব্যাপী ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

অন্যান্য অর্জনঃ

ক) দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সকল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে মনিটরিং এবং নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে এ কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৩২ টি সিসি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

খ) দিনাজপুর জেলা প্রশাসনে কর্মরত কর্মচারীদের দৈনন্দিন হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেটিক্স এটেন্ডেন্স সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

গ) জেলায় শতভাগ অনলাইন জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

ঘ) জেলা এবং উপজেলায় মোবাইল কোর্ট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের নথি ব্যবস্থাপনা,গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও রেজিষ্টার সংরক্ষণের জন্য আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন রেজিস্ট্রার ছাপিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নিকট সরবরাহ করা হয়।

ঙ)  দিনাজপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিয্য, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা,জেলার কৃষি ও কৃষক, গ্রাম পুলিশ, নৃ-গোষ্ঠীসহ জেলার সার্বিক বিষয়সমূহ সংগ্রহ,সংরক্ষণ ও সকলশ্রেনীর মানুষের নিকট দিনাজপুরের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে জেলা প্রশাসন,দিনাজপুর ইতোমধ্যে প্রায় ১৩ টি প্রকাশনা বের করেছে।প্রকাশনাসমূহ হলো- দিনাজপুর গোর-ই-শহীদ বড় ময়দানের ইতিবৃত্ত, দিনাজপুর রায় সাহেব দেবোত্তর এস্টেট,উত্তরঙ্গ, দিনাজপুরের সফল কৃষক,দিনাজপুর জেলার নৃ-গোষ্ঠী,ক্রীড়ানুকথা, সম্ভাবনাময় দিনাজপুর, দিনাজপুরের গ্রাম পুলিশ, মিত্রাক্ষী, রাজদেবোত্তর এস্টেট, শাখা কর্মকর্তার দায়িত্ব, দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলার ভূমি অফিস এবং ১০৫টি পৌর/ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তথ্য এবং জেলা গেজেটিয়ার, দিনাজপুরএই ছয়টি বই জেলা প্রশাসনের তথ্য বাতায়নের http://www.dinajpur.gov.bd/node/1251611লিঙ্কে প্রবেশ করলে যে কেউ পড়তে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।


কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজঃ

দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের তত্ত্ববধানে ২০০০ সাল হতে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রাক্তন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আজিজুর রহমান ১৫ ডিসেম্বর, ২০০০ তারিখে প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। স্কুলটির মোট জমির পরিমাণ বর্তমানে  ১.৪৭৫ একর। বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব ও শ্রেণীকক্ষসহ এর মোট কক্ষ সংখ্যা ১৭ (সতের)টি। এরমধ্যে শ্রেণী কক্ষ ১০ টি। মনোরম পরিবেশে প্লে-গ্রুপ হতে এসএসসি শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিদ্যালয়টির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা মোট ৪৮২ জন এবং শিক্ষকের সংখ্যা খন্ডকালীনসহ ২৪ (চব্বিশ) জন। বর্তমান জেলা প্রশাসক জনাব আহমদ শামীম আল রাজী  এর উদ্যোগে ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের শ্রেণী কক্ষ শিক্ষকদের কনফারেন্স রুম ও অভিভাবকদের বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বহুমূখী প্রতিভার বিস্তারের লক্ষে বিভিন্ন ধরনের ক্লাব যেমন ডিবেট ক্লাব, পরিবেশ ক্লাব, সাংস্কৃতিক ও আবৃত্তি ক্লাব এবং বিজ্ঞান ও আইসিটি  ক্লাব গঠন করা হয়েছে।

 

 কালেক্টরেট মিউজিয়াম ও লাইব্রেরী সংস্কারঃ

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে কালেক্টরেট মিউজিয়ামটি সম্প্রতি সংস্কার করে সেখানে অত্যাধুনিক আইটি কক্ষ, কালেক্টরেট লাইব্রেরী ও কালেক্টরেট মিউজিয়াম করা হয়েছে।

 

রোলার স্কেটিং ট্র্যাক নির্মাণঃ  

দিনাজপুর জেলার কিশোর, যুবক ও তরুণদের রোলার স্টেটিং এর প্রতি আগ্রহ থাকায় তারা রাস্তাঘাটে স্কেটিং অনুশীলন করেই ইতোপূর্বে জাতীয় পর্যায়ের স্কেটিং প্রতিযোগিতা সমূহে সাফল্যের সাথে অংশগ্রহণ করত। তাদের আগ্রহের বিষয়টি লক্ষ্য রেখেই জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে স্থানীয় তহবিল হতে প্রায় ৭ (সাত) লক্ষ টাকা ব্যয়ে নিমার্ণ করা হয়েছে অত্যাধুনিক একটি রোলার স্কেটিং গ্রাউন্ড যেখানে দিনাজপুরের কিশোর যুবকরা নিয়মিত স্কেটিং অনুশীলন করে থাকে।

 

জিমনেশিয়াম সংস্কারঃ

১৯৮৪ সালে নির্মিত “দিনাজপুর জিমনিশিয়াম” বহুব্যবহারে জরাজীর্ন ও পরিত্যাক্ত হয়ে পড়েছিল। জেলা প্রশাসকের কার্যকরী উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে ১১ লক্ষাধিক টাকা টাকা ব্যয়ে “দিনাজপুর জিমনেশিয়াম” কে সংস্কার করে অত্যাধুনিক রূপ দেয়া হয়েছে। এ জিমনেশিয়ামে ইতোমধ্যে ০৪ টি ইনডোর ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট আড়ম্বরপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই জিমনিশিয়ামে জিমন্যাস্টিক অনুশীলন করা হয়ে থাকে।

 

স্টেশন ক্লাব / মহিলা ক্লাব / টেনিস কমপ্লেক্সঃ

প্রশাসনিক কাজে নিযুক্ত সিভিলিয়ান ও ব্যবসা-বাণিজ্যরত শ্বেতাঙ্গগণ স্ব-স্ব কর্মস্থলে বা স্টেশনে খেলাধূলা, নাচগান, পানভোজনসহ চিত্তবিনোদনের জন্য বড় ময়দানের মধ্যস্থলে ‘স্টেশন ক্লাব’নামে একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে। ক্লাব ভবনটি ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়। কিন্তু দিনাজপুর গেজেটিয়ারের মতে ক্লাবটির গোড়াপত্তন হয় তার শতাধিক বছর পূর্বে অর্থাৎ ১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দে। ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে বাঙ্গালী সংস্কৃতিপ্রিয় জেলা কালেক্টর মিঃ এইচ বিডনের আমলে ক্লাবটির পাকা ভবন নির্মিত হয়। স্বাধীনতার পর জেলা প্রশাসকগণের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্টেশন ক্লাবটি উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহ্যবাহী ক্লাবে পরিণত হয়েছে। প্রাক্তন জেলা প্রশাসক জনা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে ক্লাবটির ব্যাপক সংস্কারমূলক কাজ হয়। পরবর্তী জেলা প্রশাসকদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্টেশন ক্লাবের সংস্কার কাজ এগিয়ে যায়। ক্লাব প্রাঙ্গনে গড়ে উঠেছে দু’টি টেনিস কোর্ট, রয়েছে একটি বিশাল একতলা ভবন টেনিস ক্লাব। এর সাথে যুক্ত হয়েছে একটি কমিউনিটি সেন্টার। স্টেশন ক্লাবের সহযোগী সংগঠন হিসেবে মহিলা ক্লাব পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আব্দুল জলিলের সার্বিক দিকনির্দেশনায় স্টেশন ক্লাবের কর্মকান্ডে গতি সঞ্চার হয়েছে। ইতোমধ্যে টেনিস কমপ্লেক্সসহ ক্লাব ভবনের ব্যাপক সংস্কার শেষ হয়েছে।স্টেশন ক্লাবটি সুদীর্ঘ বছর ধরে পরিচালিত হয়ে আসলেও এর কোন গঠনতন্ত্র ইতোপূর্বে তৈরী করা হয়নি। কয়েক মাস পূর্বে ক্লাবের গঠনতন্ত্র সাধারণ সভায় অনুমোদন লাভ করেছে। এ ধরণের একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা এবং এর কার্যক্রম সুসংহত রাখা জেলা প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।